সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাল্যবিবাহের পক্ষে বক্তব্য এবং এর বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি এবং গার্লস নট ব্রাইডস বাংলাদেশ।
সম্প্রতি ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র জনতা’ পরিচয়ে একটি দল এই বক্তব্য প্রচার করে।
মঙ্গলবার সংগঠনগুলোর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজস্ব ব্যাখ্যার মাধ্যমে বাল্যবিবাহকে বৈধ ঘোষণা করতে পারে না। বর্তমান আইন অনুযায়ী মেয়ে শিশুর বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ এবং ছেলে শিশুর ২১ বছর নির্ধারিত রয়েছে। এই আইনের অধীনে বাল্যবিবাহের আয়োজন ও সহায়তাকারীদের জন্য শাস্তির বিধানও রয়েছে।
আরও পড়ুন
বাল্যবিয়ের পক্ষে বক্তব্যে মহিলা পরিষদসহ ৭১ সংগঠনের নিন্দা
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের হুঁশিয়ারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন নারী ও মেয়েশিশুর অধিকার রক্ষার আন্দোলনের ওপর সরাসরি আঘাত। এটি যেমন দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধানের পরিপন্থি, তেমনি মানবাধিকার নীতিমালারও বিরোধী।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ রোধে রাষ্ট্র, প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান নেতারা।
বিবৃতিতে সই করেছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসেলম, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে ডা. ফওজিয়া মোসেলম এবং গার্লস নট ব্রাইডস বাংলাদেশের পক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস।
এসইউজে/এমআরএম