টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে দারুণ ছন্দে রয়েছে বাংলাদেশ এইচপি দল। হোবার্ট হ্যারিকেন্স একাডেমিকে ৩ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে তারা। ব্যাট হাতে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন সাব্বির রহমান রুম্মন। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান তিনি।
ডারউইনে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে হোবার্ট। জবাবে ২ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ এইচপি।
১৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও জিসান আলম দ্রুতই ফিরে যান। সোহান করেন ৪ রান, জিসানের ব্যাট থেকে আসে ৯। এরপর আরিফুল হক ও অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও ৪ রান করে আউট হলে ৪২ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সেখান থেকে দলের হাল ধরেন সাব্বির রহমান। শামীম পাটেয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে গড়েন ৪৬ রানের কার্যকর জুটি। ২৪ বলে ১৬ রান করে শামীম ফিরলেও সাব্বির নিজের দায়িত্ব পালন করে যান। শেষ পর্যন্ত ৫৯ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। তার ব্যাট থেকেই আসে দলের জয়ের ভিত্তি।
সাব্বিরের পর এসএম মেহরব করেন ১৩ রান। শেষদিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও আবু হায়দার রনি ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়েন। সাকলাইন ১৯ এবং রনি ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে টস জিতে হোবার্ট হ্যারিকেন্স একাডেমিকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ এইচপির অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। জ্যাক ডোরেন ৪ বলে ৬ এবং রাধাকৃষ্ণা ৫ বলে ৭ রান করে ফেরেন। ব্র্যাডলি হোপের ইনিংসও থামে ১৭ রানে।
উইকেট পতন অব্যাহত থাকলেও একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ইনিংসকে টেনে নেন ত্যাগ উইলি। ফিফটি তুলে নেওয়ার পর শেষ পর্যন্ত ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। টিম ওয়ার্ড করেন ১৫ রান, রাফ ম্যাকমিলান যোগ করেন ১১।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ রুবেল। ৩টি উইকেট নেন তিনি। রিপন মণ্ডল শিকার করেন ২ উইকেট। আবু হায়দার রনি ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন পান একটি করে উইকেট।
এসকেডি/আইএইচএস