বিজ্ঞাপন
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে ৪ আগস্ট (গণঅভ্যুত্থান ক্যালেন্ডারে ৩৫ জুলাই) ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, উত্তেজনাপূর্ণ এবং নির্ধারণী দিনগুলোর একটি। এই দিনেই কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সরকার পতনের আন্দোলন আর পিছু হটার নয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে দেশজুড়ে শুরু হয় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন।
রাজধানী থেকে বিভাগীয় শহর, জেলা থেকে উপজেলা-সর্বত্র একটিই স্লোগান ধ্বনিত হতে থাকে, ‘দফা এক, দাবি এক-শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’ দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রযন্ত্রের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নেন। আগের কয়েক দিনের হত্যাকাণ্ডে শোকাহত মানুষ ক্ষোভ নিয়ে নেমে আসেন রাজপথে। কারফিউ, গুলি, রক্ত আর প্রতিরোধ-সব মিলিয়ে ৪ আগস্ট ছিল চূড়ান্ত গণঅভ্যুত্থানের আগের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় সেদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী গোলাম নাফিজ। রক্তাক্ত অবস্থায় রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। দুপুরের পর সরকার ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ মেটার সব প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজধানীসহ সব বিভাগীয় শহরে কারফিউ জারি করা হয় এবং টানা তিন দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কারফিউ কিংবা ইন্টারনেট বন্ধ কোনো কিছুই আন্দোলনকারীদের থামাতে পারেনি।
‘৪ আগস্ট স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, জনগণের আস্থা হারানো একটি সরকার আর বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। শেখ হাসিনা যত দ্রুত পদত্যাগ করতেন, দেশের মানুষ তত দ্রুত মুক্তি পেতো। আমরা একদিকে শিক্ষার্থীদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছি, অন্যদিকে আন্দোলনের সময় যেন কোনো রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রেখেছিলাম। ৪ আগস্টের সেই ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই পরদিনের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের ভিত্তি তৈরি করেছিল।’
একইদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চারজন নিহতের মরদেহ নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে শোক, প্রতিবাদ ও প্রতিজ্ঞার এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরে শাহবাগ অভিমুখে যাত্রা করলে রাজু ভাস্কর্যের সামনে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আবাসিক হলের তালা ভেঙে হল খুলে দেন এবং আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সদস্য সচিব জাহিদ হাসান জানান, হল খুলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, এখন আর পিছু হটার সুযোগ নেই, সবাইকে চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাবি শিক্ষার্থীদের সড়কে অবস্থান/ ছবি: জাগো নিউজ
এদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা জানান, সরকার ঢাকায় প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করছে-এমন তথ্য পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতারা ৬ আগস্টের নির্ধারিত ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দেন, ৬ আগস্ট নয়, ৫ আগস্টই অনুষ্ঠিত হবে ‘মার্চ টু ঢাকা’। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও এই বার্তা দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলন নতুন গতি লাভ করে।
আরও পড়ুন
ফিরে দেখা ৩ আগস্ট / সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজশাহীর রেলগেইট অবরোধ
কেন্দ্রের এই কর্মসূচির সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করে ৪ আগস্ট সকাল থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে রাজশাহী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) প্রধান ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে যোগ দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ, নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পেশাজীবী এবং সর্বস্তরের মানুষ। বেলা ১১টার পর আন্দোলন বিশাল বিক্ষোভে রূপ নেয়। আন্দোলনকারীদের অনেকের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, লাঠি এবং প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে কাফনের কাপড়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। রাজপথ প্রকম্পিত হতে থাকে ‘আমার ভাই মরলো কেন, শেখ হাসিনা জবাব দে’, ‘এক দফা এক দাবি’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত’, ‘হই হই রই রই, ছাত্রলীগ গেলি কই’সহ বিভিন্ন স্লোগানে।
‘৪ আগস্টের আন্দোলন ছিল ছাত্র-জনতার অদম্য সাহস, ঐক্য ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ। আমরা শিক্ষকরা তখন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, কারণ তাদের দাবি ছিল ন্যায়সঙ্গত এবং দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।’
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, আজকের আন্দোলনে যারা সমবেত হয়েছ, আপনারা সবাই আমার সন্তান। তোমরাই এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। তোমাদের সাহস, সততা ও ন্যায়বোধ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তোমরা এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছ, যেখানে সুবিচার, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে মনে রাখতে হবে, বিজয়ের যত কাছে পৌঁছাবে, তত বেশি সংযত ও সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী সব সময় আন্দোলনের অর্জনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়।
অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ও বর্তমান উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা যত দ্রুত পদত্যাগ করবেন, দেশের মানুষ তত দ্রুত মুক্তি পাবে। বর্তমান সরকার ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি হারিয়েছে। যারা এখনও ক্ষমতায় থেকে জনগণের মতামতকে অস্বীকার করছে, তাদের আর নৈতিক ভিত্তি নেই। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে আছি এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকেও নজর রাখছি।
রুয়েট থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিল ভদ্রা হয়ে তালাইমারী এলাকায় পৌঁছালে মতিহার থানা পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। জবাবে শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে লাকড়ি জ্বালিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেন। সংঘর্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন এবং তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ওই দিনের সংঘর্ষে রাজশাহীতে কোনো শিক্ষার্থী নিহত কিংবা পুলিশের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। সংঘর্ষের মধ্যেও আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, সরকার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন
ফিরে দেখা ২ আগস্ট / গ্রেফতার আতঙ্কে স্তব্ধ রাজশাহী, গোপনে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি
৪ আগস্টের সেই দিনটির স্মৃতিচারণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মেহেদী সজিব বলেন, ৪ আগস্ট ছিল আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার দিন। কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্তগুলো আসছিল, সেগুলো আমরা দ্রুত রাজশাহীতে বাস্তবায়ন করেছি। ইন্টারনেট না থাকলেও বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে আন্দোলনের সমন্বয় করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, এদিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আইনজীবী, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী-সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, এটি আর শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নয়; এটি পুরো জাতির আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। ৪ আগস্টের সেই গণজোয়ারই ৫ আগস্টের বিজয়ের ভিত্তি তৈরি করেছিল।
‘শিক্ষকদের প্রকাশ্য সমর্থন আন্দোলনে নতুন শক্তি জোগায় এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আমাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমরা আন্দোলনকারীদের বারবার বলেছি, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না, সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা যাবে না এবং আন্দোলনের নৈতিক শক্তি অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।’
একই দিনের স্মৃতিচারণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ৪ আগস্ট আমাদের কাছে ছিল চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিন। কেন্দ্রের প্রতিটি নির্দেশনা রাজশাহীতে বাস্তবায়নের জন্য আমরা সার্বক্ষণিক সমন্বয় করেছি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রকাশ্য সমর্থন আন্দোলনে নতুন শক্তি জোগায় এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আমাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমরা আন্দোলনকারীদের বারবার বলেছি, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না, সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করা যাবে না এবং আন্দোলনের নৈতিক শক্তি অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আমরা জানতাম, সামনে যে দিনটি আসছে, সেটিই হবে ইতিহাসের দিন। তাই ৪ আগস্টের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল দায়িত্ব, সাহস এবং আত্মত্যাগের প্রস্তুতি। রাজশাহীর মানুষ যেভাবে সেদিন রাজপথে নেমেছিলেন, সেটি গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ওইদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ৪ আগস্টের আন্দোলন ছিল ছাত্র-জনতার অদম্য সাহস, ঐক্য ও ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ। আমরা শিক্ষকরা তখন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, কারণ তাদের দাবি ছিল ন্যায়সঙ্গত এবং দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
তিনি আরও বলেন, সেদিনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, জনগণের আস্থা হারানো একটি সরকার আর বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। শেখ হাসিনা যত দ্রুত পদত্যাগ করতেন, দেশের মানুষ তত দ্রুত মুক্তি পেতো। আমরা একদিকে শিক্ষার্থীদের নৈতিক সমর্থন দিয়েছি, অন্যদিকে আন্দোলনের সময় যেন কোনো রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি না হয়, সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রেখেছিলাম। ৪ আগস্টের সেই ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই পরদিনের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের ভিত্তি তৈরি করেছিল।
আরও পড়ুন
ফিরে দেখা ১ আগস্ট / রাবি থেকে শিক্ষার্থীদের তুলে নেওয়ার চেষ্টা, ঢাল হয়ে দাঁড়ান শিক্ষকরা
৪ আগস্টের অসহযোগ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে রাজশাহীর আন্দোলন এক সুতোয় গাঁথা হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ রাজশাহীর আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দেয়। একদিকে রাজধানীতে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত, অন্যদিকে রাজশাহীতে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রস্তুতি-দুই ধারার আন্দোলন মিলেই তৈরি হয়েছিল গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ভিত্তি।
৪ আগস্টের সেই প্রতিরোধ, সাহস, ত্যাগ ও ঐক্যের ধারাবাহিকতায় পরদিন ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। ইতিহাসের সেই উত্তাল দিনে রাজশাহী ছিল কেন্দ্রীয় আন্দোলনের অন্যতম শক্তিশালী সহযোদ্ধা, যা গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
এনএইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন