জাতীয়

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার খরচ সরকার দেবে

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
9 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার জন্য শয্যা বা প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না পাওয়া গেলে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী পাঠিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসার ব্যয় সরকার বহন করবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে জরুরি মতবিনিময় সভা শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালের একটা পাইলটিং বোধহয় হচ্ছে। কোনো সরকারি হাসপাতালে শয্যা বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোনোকিছুর সংকুলান না হলে সেই রোগীদের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে। ডেঙ্গু চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্যালাইন ও পরীক্ষার কিট পর্যাপ্ত রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ যে তথ্য দিয়েছে, তাতে হাসপাতালে স্যালাইনের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত রয়েছে। ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষার কিটও পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আরও পড়ুন ডেঙ্গুতে বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড এদিকে, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি এমন এলাকাগুলোতে উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এর আগে ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসা উপজেলা লেভেলে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, রেড মার্কিংকৃত উপজেলাগুলোতে প্রয়োজন হলে বেডের সংখ্যা বাড়াতে হবে। কোথাও পাঁচটি বেড থাকলে প্রয়োজন হলে ডেঙ্গুরোগীর জন্য ১০টি করতে হবে। সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী/ছবি: জাগো নিউজ এসব এলাকায় পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ডেঙ্গুর প্রকোপের এলাকাভিত্তিক চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গুরোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে। সিলেট ও রংপুরে রোগী প্রায় নেই বললেই চলে। রাজশাহীতেও তুলনামূলক কম। তিনি জানান, এসব এলাকার মধ্যে পিরোজপুরে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা বেশি। আরও পড়ুন ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে ৩ মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান বরিশাল অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি হওয়ার একটি কারণ হিসেবে সুপারি ও ডাব গাছের কর্তনের পর গোড়ায় জমে থাকা পানির কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। ওই পানি এডিস মশার লার্ভার প্রজননের অন্যতম উৎস হতে পারে বলেও জানান তিনি। বাসাবাড়ির আশপাশ, ছাদ ও বারান্দায় যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে নাগরিকদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফুলের টবসহ যেসব জায়গায় পানি আটকে থাকতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরএমএম/এমকেআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>