জাতীয়

রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক হত্যায় ডোমের বক্তব্যে যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় (দাসপাড়া) অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে। তবে নিহত শিক্ষকের স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর মরদেহে ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তে বীর্য পাওয়ার যে বিষয়টি সামনে এসেছে, সেটিও মরদেহের স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। আরও পড়ুন সপরিবারে শিক্ষক হত্যা / আসামিদের স্বীকারোক্তিতে গহনা উদ্ধারই নির্ভরযোগ্য প্রমাণ: পুলিশ তিনি বলেন, আসামিদের পুলিশের কাছে দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্য এবং আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অনেক বিষয় আরও স্পষ্ট হয়েছে। ময়নাতদন্তের যে প্রতিবেদন আমরা পেয়েছি, তাতে চারজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, নিহতদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, তাদের ভ্যাজাইনাল সোয়াব সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে সেখানে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। শ্বাসরোধ বা অ্যাসফিক্সিয়ার ক্ষেত্রে মরদেহে কিছু শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় বীর্য, মলমূত্র বের হয়ে আসতে পারে। ময়নাতদন্তে যে বীর্যের কথা এসেছে, সেটি মরদেহের স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ার অংশ। এটি বাইরের কোনো ব্যক্তির বীর্য নয়। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একজন ডোমের বক্তব্য নিয়ে যে কথা প্রচার হয়েছে, সেখানেও মরদেহ থেকে বীর্য বের হওয়ার কথা বলা হয়েছে। শ্বাসরোধের ক্ষেত্রে গলায় ফাঁসের চিহ্ন এবং চোখ কিছুটা বেরিয়ে আসার মতো শারীরিক লক্ষণ দেখা যেতে পারে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এসব বিষয়ও স্পষ্ট হয়েছে। আরও পড়ুন সপরিবারে শিক্ষক হত্যা / মুখ ঝলসানো নয়, মরদেহ পচে যাওয়ায় বিকৃত হয়েছে: ফরেনসিক বিভাগ এর আগে রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, মরদেহের পরীক্ষায় যৌন নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ল্যাবরেটরিতে পাঠানো নমুনাতেও ধর্ষণের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি। শনিবার (২২ আগস্ট) দিনগত রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) ভোরে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নামে দুজনকে আটক করা হয়। ওইদিন বিকেলে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। জিতু কবীর/এনএইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>