বিজ্ঞাপন
বায়াজিদ গালিব, কানাডা
তারুণ্যের দিনগুলোতে প্রথম দর্শনে যার প্রেমে পড়েছিলাম, লাল-সবুজের মনোরম সাজে মোড়ানো সেই প্রিয় সত্তা, যাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছিল জীবনের আসল পথচলা।
আজ অবধি যাকে হৃদয়ে পরম মমতায় আগলে রেখেছি এবং জীবনের বাকিটা পথও যার স্মৃতি আঁকড়ে কাটিয়ে দিতে চাই, সে আমার প্রাণের ক্যাম্পাস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
৭ ভাদ্র (২২ আগস্ট), দূর প্রবাসের বুকেও জেগে উঠেছিল সেই চিরচেনা নস্টালজিয়া আর প্রানের আকুল স্পন্দন। ক্যালগেরির সুনিবিড় প্রাকৃতির ছায়ায় জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক পিকনিক।
আরও পড়ুন
ক্যামেরার শাটার থামলেও থেকে যায় সময়ের গল্প
সংখ্যায় হয়তো এবার উপস্থিতির বহর বিগত বছরের চেয়ে কিছুটা কম ছিল, কিন্তু আড্ডা, মেলামেশা আর উছলে পড়া উদ্দীপনায় কোনো ঘাটতি ছিল না বিন্দুমাত্র!
সশব্দ স্মৃতিচারণায় সবাই যেন মুহূর্তেই ফিরে গিয়েছিলেন ক্যাফেটেরিয়া, ট্রান্সপোর্টের মোড় আর লাল ইটের সেই মধুর দিনগুলোতে। পুরো আয়োজনটিকে সুনিপুণ ছন্দে গেঁথে অনবদ্য এক রূপ দিয়েছিল মুন্নী, মাজহার ও তাদের একনিষ্ঠ কর্মীরা।
এবারের মিলনমেলায় বাড়তি আনন্দের জোয়ার এনেছিল ক্যালগেরির বুকে সদ্য পা রাখা দুই নতুন তরুণ-তরুণী রাশিদ ও রিনি। জাবি পরিবারের ক্যালগেরার এই আঙিনায় এটাই ছিল তাদের প্রথম পদচিহ্ন।
অ্যালুমনাই সদস্য ও তাদের পরিবারের প্রাণবন্ত সান্নিধ্যের পাশাপাশি উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিরাও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন অনুষ্ঠানের আমেজ। ডাক্তার গুলশান ভাবি ও জাহিদ ভাই এই অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রত্রিত অতিথি ছিলেন।
তমাল, মিলন, কামরুল, আরিফ ভাই, জেবিন, রাশিদ এবং রিনিসহ সবার আন্তরিক নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমে পুরো প্রাঙ্গণ দিনভর মেতে ছিল প্রাণের কলতানে। খেলাধুলার উচ্ছ্বাস আর আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে হাসি-আনন্দে ভরা এই স্মরনীয় দিনটির যবনিকা টানা হয়।
প্রবাসের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও জাবিয়ানদের এই আত্মিক টান আর নাড়ির বন্ধন চিরকাল এমন অমলিন থাক। জাহাঙ্গীরনগর পরিবারের প্রতিটি আয়োজন এভাবেই ভালোবাসার রঙিন আলো ছড়াক। হৃদয়ের গভীর থেকে রইল সকলের জন্য ভালোবাসা ও নিরন্তর শুভকামনা।
এমআরএম
বিজ্ঞাপন