ব্রেকিং নিউজ
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা পেজেশকিয়ানের, ট্রাম্পকে আলোচনার বার্তা উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ৪ দিনের রিমান্ডে এবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার সিলেটের সেই বিউটি রানী পাল রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর আজমুল হত্যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সাবেক শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, তিন আসামির স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা: কুয়াকাটায় রাসেলের এক বছরের কারাদণ্ড তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা কুমিল্লা মহাসড়কে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ ১৮ তম বিজেএস পরিক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী  যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের উদ্দেশে কী বললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
জাতীয়

বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণেও গতি কমেছে

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
8 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
দেশের বেসরকারি খাতে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি উৎসের ঋণেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগ ও আমদানি কার্যক্রমে গতি না থাকায় স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের চাহিদা কমছে। ফলে বিদেশ থেকে নতুন করে যে পরিমাণ ঋণ আসছে, পরিশোধ হচ্ছে তার চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাস শেষে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৫ কোটি ডলারে। এপ্রিলে এর পরিমাণ ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি এবং জানুয়ারিতে এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার। এর আগে গত জুনে বেসরকারি খাতের বার্ষিক ঋণপ্রবৃদ্ধিও রেকর্ড সর্বনিম্ন ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে নেমে আসে। ব্যবসায়ীরা সাধারণত কাঁচামাল ও মূলধনি পণ্য আমদানিতে সাপ্লায়ার্স ও বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে এ ধরনের স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ নিয়ে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিনিয়োগ কমে যাওয়া, অভ্যন্তরীণ চাহিদায় মন্দা, রপ্তানি কার্যক্রমে ধীরগতি এবং ব্যবসার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ঋণের চাহিদাও কমেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ডলার বাজারে অস্থিরতা কিছুটা কমলেও বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় বিনিয়োগে গতি ফেরেনি। ফলে নতুন কারখানা স্থাপন বা বিদ্যমান কারখানার সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোক্তাদের ঋণ নেওয়ার প্রবণতাও কম। তথ্য বলছে, করোনা-পরবর্তী ডলার সংকটের সময়ে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়েছিল। ২০২১ সালে এ ঋণের স্থিতি প্রায় ৬৫ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৫৪৬ কোটি ডলারে ওঠে। ২০২২ সালে তা আরও বেড়ে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এরপর ডলারের বাজারে অস্থিরতা বাড়লে ঋণ কমাতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। ২০২৩ সালে তা কমে এক হাজার ১৭৯ কোটি এবং ২০২৪ সালের শেষে এক হাজার ১৩ কোটি ডলারে নামে। এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে দেশের মোট বিদেশি ঋণের স্থিতি কমে ১১ হাজার ৯৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের ঋণ ৯ হাজার ৯১ কোটি এবং বেসরকারি খাতের ঋণ ২ হাজার ২ কোটি ডলার। গত ডিসেম্বরে মোট বিদেশি ঋণ ছিল ১১ হাজার ৩৫ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিনিয়োগ ও শিল্প কার্যক্রমে গতি না থাকায় বিদেশি ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। তবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বাড়বে, তখন এ ধরনের ঋণের চাহিদাও বাড়তে পারে। বিদেশি স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুদহারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ব্যাংক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। গত মে মাসে সর্বোচ্চ সীমা কমিয়ে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেটের (এসওএফআর) সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ যোগ করে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। আগে এ হার ছিল এসওএফআরের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ। ইএআর/এসএনআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>