জাতীয়

সংস্কারের আড়াই মাসেই ফের খানাখন্দে জয়পুরহাট-হিলি সড়ক

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
জয়পুরহাট-হিলি আঞ্চলিক মহাসড়ক সংস্কারের মাত্র আড়াই মাসের মাথায় আবারও বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদাসীনতা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সামান্য বৃষ্টিতেই পিচ ও খোয়া উঠে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই রুটে চলাচলকারী হাজারো মানুষ। সীমাহীন দুর্ভোগ আর প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এটি জয়পুরহাট থেকে হিলি স্থলবন্দর সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট-হিলি আঞ্চলিক মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার অংশ মেরামতের জন্য ২ কোটি ৬৯ লাখ ১৪ হাজার ৫৩৪ টাকার কার্যাদেশ দেওয়া হয় খাগড়াছড়িভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেডকে। এ প্রকল্পের আওতায় পাঁচুর মোড় থেকে পুরানাপৈল পর্যন্ত চার কিলোমিটার অংশে নতুন কার্পেটিং এবং বাঁকি ১৫ কিলোমিটার অংশে প্যাচিং ও আংশিক মেরামতের কাজ করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারহীন থাকার পর মাত্র আড়াই মাস আগে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হয়। সম্প্রতি সড়কটির কার্পেটিং উঠে গিয়ে আগের মতোই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। আরও পড়ুন খুলনা / বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ চলাকালীন সময়েই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে এমন খানাখন্দ সৃষ্টি হয়। এদিকে বিষয়টি নজরে আসলে তড়িঘড়ি করে সড়কের গর্ত ও খানাখন্দ পুনরায় মেরামত করছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। ‎এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও মোবাইলফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে নিরাপদ সড়ক চাই জয়পুরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, সড়কটি সংস্কারের সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে সড়ক সংস্কারের মাত্র আড়াই মাসে পিচ উঠে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দায়িত্বে অবহেলায় দায়ী করছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের। জয়পুরহাট সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজস খান বলেন, সড়কের কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ভালো করলেও বর্ষা মৌসুমে সড়কের লেয়ারে পানি জমে থাকায় এমন খানাখন্দ সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে ওই সড়কের কোনো সমস্যা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ করে দেবেন। মো. আল-কারিয়া চৌধুরী/এনএইচআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>