বিজ্ঞাপন
অবৈধ গ্যারেজ/ওয়ার্কশপ পরিচালনা, অনুমোদনহীন বাসের কাঠামো পরিবর্তন এবং অননুমোদিত স্লিপার কোচের কাঠামো তৈরির অপরাধে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। তবে, জরিমানার এ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব কবীর মিলন। যে কোচগুলো তৈরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হলো, সেই কোচগুলোর কী অবস্থা-তা জানতে চেয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাগো নিউজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ছবি ব্যবহার করে এ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ তৈরির জন্য নাহয় জরিমানা করা হলো, কিন্তু ওই কোচগুলোর কী হলো? জব্দ করা হয়েছে? ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে? ঐ কোচ যখন রাস্তায় নামবে, তখন হতভাগা যাত্রীদের কী হবে?
তিনি আরও লেখেন, অনুমোদন নাহয় নেয়নি। কিন্তু কোচের মানের কী অবস্থা। স্ট্রাকচার উন্নত মানের কি না!! ভাঙ্গারি লোহা আর চালের টিন দিয়ে বানানো হচ্ছে কি না!!
আরও পড়ুন
বিআরটিএ’র অভিযান / অনুমোদনহীন স্লিপার কোচ তৈরি, জরিমানা আড়াই লাখ
সাবেক এ অতিরিক্ত সচিব লেখেন, এখন তো প্রায় দেখা যায় এসব স্লিপার কোচ দুর্ঘটনায় পড়ছে। হচ্ছে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি।অনুমোদন না নিয়ে স্লিপার কোচের কাঠামো বানানোর শাস্তি হিসেবে বিআরটিএর মোবাইল কোর্ট পাঁচটি ওয়ার্কশপকে মাত্র আড়াই লাখ টাকা জরিমানা ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু সেই কাঠামোগুলোর অবস্থা কী?
জানা যায়, বুধবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামির মৃধা জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত-৫।
বিআরটিএ তাদের ফেসবুক পেজে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, অনুমোদনহীন স্লিপার বাস তৈরি ও মেরামত এবং বিআরটিএর নিবন্ধন না থাকার অপরাধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সামির মৃধা জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন বডি বিল্ডিং গ্যারেজে যৌথ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে হাফিজুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ, জিসান/নুসরাত অটোমোবাইল, আবদুল্লাহ বডি বিল্ডার্স, এ আর মটরস এবং তাব্বাসুম মটরসকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল করবে না বলে অঙ্গীকারনামা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা।
এএমএ
বিজ্ঞাপন