জাতীয়

নির্বাচনের দায়িত্ব পাওয়া ফেডারেশন কর্মকর্তাদের চোখ জাপান সফরে!

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল সেই সরকারের ক্রীড়া প্রশাসন করে গিয়েছিল একের পর এক বিতর্কিত কর্মকান্ড। বিশেষ করে জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের আগের কমেটি বিলুপ্ত করে যে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল তাদের মেয়াদ ছিল অনির্দিষ্টকালের জন্য। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অ্যাডহক কমিটি গঠন করলে ৩ মাসের মধ্যে ওই কমিটিকে নির্বাচন আয়োজন করে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশনা দিয়ে থাকে। কিন্তু দায়িত্ব দীর্ঘায়িত করার জন্য কৌশলে তখন নির্বাচনের নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তবে বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক সেই বিতর্কিত পথে হাঁটেননি। গত ১৮ জুলাই যে ১৭ টি ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রীড়া প্রজ্ঞাপন জারির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ হকি ও বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশন নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে ঘোষণাও দিয়েছে। বাকি ১৫ ফেডারেশন ও অ্যাসাসিয়েশনের নির্বাচন নিয়ে কোনো হেলদোল নেই। আসল কাজ রেখে কিছু ফেডারেশনের কর্মকর্তা জাপান সফরের জন্য মুখিয়ে আছেন। জাপানের অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে বাংলদেশ ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে। আয়োজক এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ জুন ছিল ক্রীড়াবিদ, কোচ ও কর্মকর্তাদের নাম প্রেরণের শেষ দিন। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) সেভাবেই সবার নাম পাঠিয়ে দিয়েছে এবং তাদের অ্যাক্রিডিটেশন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের ১৮ দিন পর দায়িত্ব পাওয়া ফেডারেশন কর্মকর্তাদের অনেকেই সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাধুলা পরিচালনা ও নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার চেয়ে বেশি মনোযোগী হয়েছেন এশিয়ান গেমসে পাঠানো কর্মকর্তাদের নাম বাতিল করে নিজেদের নাম অন্তর্ভূক্তির। তাতে বিপাকে পড়েছেন বিওএ কর্মকর্তারা। কারণ, চাইলেই সবকিছু করা সম্ভব নয়। ঘাম ঝরিয়ে বিওএ কর্মকর্তারা কয়েকজনের নাম পরিবর্তন করতে সক্ষম হলেও এখনো রয়ে গেছে আগের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম। ভ্রমনপিাসুরা অবশ্য চেষ্টা করেই যাচ্ছেন। বিষয়টি তারা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। এমনকি কয়েকজন সংগঠন প্রছন্নভাবে বিওএকে হুমকি দিয়ে গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘দাবি না মানলে কিভাবে আদায় করতে হয় সেটা তারা জানেন।’ বিষয়টি নিয়ে সোমবার গণমাধ্যম থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে। তিনি বলেছেন, ‘নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসের জন্য ক্রীড়াবিদ, কোচ ও অফিসিয়ালদের নাম অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রক্রিয়ার জন্য নির্ধারিত (চূড়ান্ত) হয়ে যাওয়ায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। সমস্যাটি দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাসচিবকে সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলোর সাথে আলোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ আরআই/আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>