জাতীয়

এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসি খোলার অনুমতি

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ঋণপত্র (এলসি) খোলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাষ্ট্রমালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির আমদানি এলসি খুলতে পারবে, তবে এর বিপরীতে শতভাগ নগদ মার্জিন রাখতে হবে। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা কার্যকর থাকবে। এ বিষয়ে রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে দেশের সব ব্যাংকের কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে শতভাগ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র খোলার সুযোগ পাবে রূপালী ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারায় সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এস এস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অনুকূলে রূপালী ব্যাংক পিএলসি কর্তৃক ১০০ শতাংশ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭ক (৩) ধারার বিধান আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর হবে না। তবে এ সুবিধার আওতায় দেওয়া ঋণের দায় বাংলাদেশ ব্যাংক বহন করবে না। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তাও দাবি করতে পারবে না রূপালী ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এসএস পাওয়ার-১-এর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বর্তমানে চালু রয়েছে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে খেলাপি অবস্থায় থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে এলসি খোলার বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা এলাকায় নির্মিত এসএস পাওয়ার-১-এর বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। এস আলম গ্রুপ ও চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের প্রতিটির সক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে কেন্দ্রটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসএস পাওয়ার-১-এর ৭০ শতাংশ মালিকানা এস আলম গ্রুপের। বাকি ৩০ শতাংশের মালিক চীনের সেপকো থ্রি ও এইচটিজি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ও বেনামে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর বড় একটি অংশ এরইমধ্যে খেলাপি হয়েছে। প্রচলিত নিয়মে খেলাপি প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন ঋণ সুবিধা বা এলসি খোলার সুযোগ নেই। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখার স্বার্থে এসএস পাওয়ার-১-এর ক্ষেত্রে এবার বিশেষ ছাড় দেওয়া হলো। ইএআর/এসএনআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>