বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে তিনি এখন লোকচক্ষুর আড়ালে। ক্রিকেটীয় কোনো কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত নেই। জনসমক্ষেও খুব একটা আসেন না। তার রাজনৈতিক জীবন বাদ দিলে মাশরাফি বিন মর্তুজা ক্রিকেটার হিসেবে দেশের সব মানুষের কাছেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরা অধিনায়কও তিনি।
ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত না থাকুন কিংবা জনসমক্ষে না আসুন; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে তো আর উচ্ছ্বাস প্রকাশ না করে থাকতে পারেন না! তার তো রক্তের সঙ্গেই ক্রিকেট মিশে আছে।
মাশরাফি বিন মর্তুজা তাই নাজমুল হাসান শান্তদের ঐতিহাসিক জয়ে চুপ করে থাকতে পারলে না। নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশের জন্য বেছে নিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। বলে দিলেন, টেস্ট এমনিতেই সুন্দর ক্রিকেট। তার ওপর বাংলাদেশ জিতলে হয়ে ওঠে আরও সুন্দর।
মাশরাফির স্ট্যাটাসটা হুবহু তুলে ধরা হলো, ‘টেস্ট ক্রিকেট, তুমি সুন্দর। আর বাংলাদেশ জিতলে তো আরও সুন্দর! কার কথা বলব- হাসান, তামিম, মিরাজ, শান্ত- অবিশ্বাস্য! গোটা দলকে অভিনন্দন ‘
‘পুরো শক্তির মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে হারানো, আমার দেখা টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়। বাংলাদেশ সিরিজ হারছে না, এটা নিশ্চিত। জয়ী হবে কি না, সময়ই বলে দেবে।’
‘তবে এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রতিটি সেশনে বাংলাদেশের আধিপত্য এবং শেষ পর্যন্ত জয় দেখতে পেরে নিজেকে সত্যিই সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে সাড়ে তিন দিনেই ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী ৬ উইকেটের ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করলো ১৯৮ রানে। জবাবে তানজিদ তামিমের ১০১, মুমিনুলের ৪৯, শান্তর ৮৪ এবং মিরাজের ৬৫ রানে ভর করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানের লিড।
দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া করে ২৮৪ রান। ক্যামেরন গ্রিন ১০৪ রান করলেও অস্ট্রেলিয়াকে লিড বেশি নিতে দেয়নি বাংলাদেশ। মাত্র ৫৬ রানের লিড দাঁড়ায়। মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ৫ উইকেট। ৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ তামিমের উইকেটটি হারাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। বাকি কাজ সেরে আসেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক সৌরভ।
আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন