জাতীয়

তিনদিনে শেষ নাকি পাঁচদিনে, ‘কে জানে!’

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
6 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
  ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে বাাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ঐতিহাসিক এই ম্যাচের আগে দুই দলের প্রস্তুতি, কন্ডিশন ও সম্ভাব্য ম্যাচের দৈর্ঘ্য নিয়ে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি তিন দিনে শেষ হবে, নাকি গড়াবে পুরো পাঁচ দিন? এমন প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাননি তিনি। কামিন্সের কাছে টেস্টের ফলাফল বা স্থায়িত্ব আগেভাগে অনুমান করা কঠিন। তাই তিনদিনের ম্যাচ হবে নাকি পাঁচদিনের, এমন প্রশ্নে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘কে জানে!’ অস্ট্রেলিয়ার জন্য ডারউইনে টেস্ট আয়োজনটিও ব্যতিক্রমী। উত্তরাঞ্চলের এই ভেন্যুতে দীর্ঘদিন পর লাল বলের ক্রিকেট ফিরছে। বাংলাদেশের জন্যও এটি বিশেষ অভিজ্ঞতা, কারণ ২০০৩ সালের পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলছে তারা। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই তাই দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশকে সহজ প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না কামিন্স। বরং কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকায় কিছুটা অজানা চ্যালেঞ্জও দেখছেন তিনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বড় কিছু জয়ও তার নজরে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমি কখনো সহজ কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলেছি। তাই নিশ্চিতভাবেই তারা শক্তিশালী হবে। তাদের কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমরা আগে খুব বেশি দেখিনি, ফলে টেস্ট ম্যাচে নামার আগে কিছুটা অজানা ব্যাপার থাকবেই। তবে গত কয়েক বছরে তারা বড় কিছু জয় পেয়েছে এবং দলে বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিভা আছে। তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’ শুধু বাংলাদেশের শক্তির কথাই নয়, নিয়মিত সেরা প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে খেলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে কামিন্সের বক্তব্যে। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে এসেছে-এমন পরিস্থিতি আরও নিয়মিত হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি। কামিন্স বলেন, ‘আমরা তাদের কয়েকবার খেলেছি, অবশ্যই আইসিসির ইভেন্টে এবং বাংলাদেশেও। কিন্তু এখানে এত বেশি খেলিনি। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের খেলতে পারাটা দারুণ। আমি চাই এমনটা আরও বেশি হোক। টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সৌন্দর্য হলো, আপনি বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলেন। প্রতিবারই চ্যালেঞ্জটা আলাদা। প্রত্যেক দল একটু ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট খেলে। তাই হ্যাঁ, আমি অবশ্যই আরও বেশি খেলতে চাই।’ বাংলাদেশের দলকে ঠিক কতটা শক্তিশালী মনে করছেন? এমন প্রশ্নে অবশ্য খুব বেশি মন্তব্য করতে চাননি কামিন্স। সিরিজ শেষ হওয়ার পর মূল্যায়ন করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ তিনি। তবে আইসিসির টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে নামলে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলও সতর্ক থাকে বলে জানিয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের ভাষ্য, ‘নিশ্চিত নই। হয়তো কয়েক সপ্তাহ পর আমাকে জিজ্ঞেস করলে আরও ভালো কিছু বলতে পারব। তবে আইসিসির কোনো ইভেন্টে তাদের বিপক্ষে খেলতে নামলে আপনি বেশ নার্ভাস থাকবেন, কারণ তাদের দলে বড় কিছু খেলোয়াড় আছে।’ বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ এই সিরিজে নেই। সেটিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বাড়তি সুবিধা কি না জানতে চাইলে কামিন্সের উত্তরও ছিল সরাসরি, ‘আসলে না।’ এদিকে নিজেদের দল নিয়েও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন কামিন্স। প্রথম টেস্টে স্কট বোল্যান্ডের বদলে জশ ইংলিস খেলবেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে নাথান লায়ন ফিরছেন দলে। দীর্ঘ বিরতির পর লায়নের প্রত্যাবর্তনকে বড় পাওয়া হিসেবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। লায়নের প্রশংসা করে কামিন্স বলেন, ‘নাথানকে ফিরে পাওয়া দারুণ ব্যাপার। কয়েক দিন আগে আমি অ্যাডিলেড টেস্টের কিছু ফুটেজ দেখছিলাম, আমার মনে হয়েছে সেটি কয়েক বছরের মধ্যে তার সেরা বোলিং ছিল। তাই চোটটা খুবই খারাপ সময়ে এসেছিল। কিন্তু সে দারুণভাবে ফিরে এসেছে। গত ছয় মাসে সে কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছে, সেটি সবারই জানা। প্রতিদিন অনুশীলন করেছে, এই সুযোগের জন্য অপেক্ষা করেছে। এখন তাকে দুর্দান্ত ফিট মনে হচ্ছে। সে দারুণ বোলিং করছে। অধিনায়ক ও সতীর্থ হিসেবে তাকে আবার মাঠে পাওয়া অসাধারণ হবে।’ এসকেডি/এমএমআর
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>